২০ দলিয়ো জোটে জমাত জমিয়ত কিন্ত একসাথেই দীর্ঘদিন ছিলো,তখন জামাত হালাল ছিলো এখন হারাম!! এর কারন জামাত জমিয়ত বলতে পারবেন।
কিন্ত জামাত সেক্রেটারিকে দাওয়াত দিয়েই আনা হয় যেমন টি জমিয়তকে,এটা কোনো দলিয়ো প্রোগ্রাম না আপনি এখানে ব্যাক্তিগত ক্রোধ দেখাবেন।
আল্লামা ওবায়দুল্লা ফারুক সাহেব জমিয়তের আমীর হতে পারেন কিন্ত এই প্রোগ্রামের ওনি একজন দাওয়াতি মেহমান,
ওনি সম্পূর্ণ সুন্দর একটি আয়োজনের মাঝে একটু হলেও দাগ দিয়ে দিলেন।
পীরসাহেব হুজুর ওনাদের কারনেই জামাত সেক্রেটারিকে চেয়ার ছেড়ে উঠে এসে বলেন
আপনাকে আপনার বক্তব্যে বলতে হবে আপনারা ক্ষমতায় গেলে কাদিয়ানীকে কাফের ঘোষণা করবেন এখানেই শেষ হয়ে যায় সব।
কিন্ত ওবায়দুল্লাহ ফারুক সাহেব থামতে রাজি না ওনি কেনো আসলেন কে আনলো তাকে বক্তব্য দেয়া হলো কেনো? এই সব এক সাথে বলতে লাগলে পরিবেশে ঘোলাটে হতে থাকে, একপর্যায়ে জামাত সেক্রেটারির বক্তব্য থামাতে চেয়ার ছেড়ে উঠে আসে, তখন পীরসাহেব মধুপুর দ্বিতীয় বারের মত উঠে এসে ওনাকে বারণ করেন কিন্ত ওনি সামনে চলে আসেন তখন আমি আরো দুই এক জন বাধা দেই পরে ওনি চেয়ারে ফিরে যান,তখন জমিয়তের অনেকের এই বিষয়ে খাড়াপ লাগে।
প্রশ্ন?
আব্বাসী বেদাতি
আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক সালাফি
সহ সকল কাদিয়ানী বিরোধীরা বক্তব্য দিতে পারলে দাওয়াতি মেহমাম জামাত কেনো বক্তব্য দিবেনা?
আমার মতে ওনি দাওয়াতি মেহমান হয়ে থাকলে অবস্যই অবস্যই ওনি বক্তব্য রাখবেন।
সাবেক মন্ত্রী সালাউদ্দিন বি এন পির বক্তব্য চলাকালীন জমিয়তের মুরুব্বির উচিৎ ছিলো তাকেউ বাঁধা দেয়া, অথবা তার থেকে কাদিয়ানী কাফের কথাটি উচ্চারণ করায় নেয়া, তখন ওনি সম্পূর্ণ অসহায়।
সালাউদ্দিন সাহেব এদিক ওদিক ঘুরিয়ে ফিরিয়ে অনেক কথা বললেও কাদিয়ানী কাফের বা ক্ষমতায় গেলে কি করবেন এই বিষয়ে তার মুখ থেকে কথা নেয়া যায়নাই।
জমিয়ত মুরুব্বির সালাউদ্দীন সাহেবের সময় নিরব ভুমিকা দেখে সকলেই আশ্চর্য হয়।
পীরসাহেব হুজুর ও হেফাজত আমীরকে ক্ষেপিয়ে তুলেন এই জমিয়ত মুরুব্বি, মনে হচ্ছিলো এই আয়োজনটিও তারাই করেছেন।

